বাড়ি INTERNATIONAL করোনাভাইরাস: ২০ লাখ হাসিমুখ এখন শুধুই স্মৃতি

করোনাভাইরাস: ২০ লাখ হাসিমুখ এখন শুধুই স্মৃতি

Corona
সেদিন ছিল ২০২০ সালের ১১ জানুয়ারি, নতুন এক করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর খবর দিয়েছিল চীন। ঠিক এক বছর পাঁচ দিনের মাথায় পুরো বিশ্বে সেই সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেল। 

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় এ সঙ্কটের শুরু থেকে হালনাগাদ তথ্য নিয়ে নিয়মিত যে টালি প্রকাশ করে আসছে, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ১১টা ২২ মিনিটে তাতে মৃত্যুর সংখ্যা ২০ লাখ ৯০৫ জনে পৌঁছায়।

এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, ভারত, মেক্সিকো ও যুক্তরাজ্যে, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৭ শতাংশের বসবাস। 

বিশ্বজুড়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দ্রুত এগোচ্ছে ১০ কোটির দুঃখজনক মাইলফলকের দিকে। ইতোমধ্যে তা নয় কোটি ৩৪ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এর অর্ধেক রোগীই শনাক্ত হয়েছে যুক্তরাজ্য, ভারত, ব্রাজিল, রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যে।

এর সবই সরকারি সংখ্যা। বিশ্বের অনেক দেশে এখনও করোনাভাইরাস পরীক্ষার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে আক্রান্ত ও মৃত্যুর অনেক তথ্যই এ হিসাবের বাইরে থেকে গেছে বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

সিয়াটলে ইউনিভঅর্সিটি অব ওয়াশিংটনের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যাট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশনের পরিচালক ক্রিস্টোফার মা তাদের গবেষণার বরাত দিয়ে বলেছেন, এমনও হতে পারে যে করোনাভাইরাসে প্রকৃত মৃত্যুর এক পঞ্চমাংশই হিসাবের খাতায় আসছে না।

“আমরা দেখেছি, যত মৃত্যুর তথ্য রেকর্ডে আসছে, প্রকৃত সংখ্যা তার চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি। অবশ্য দেশে দেশে এই হারে উল্লেখযোগ্য হেরফের হতে পারে।”

এই ২০ লাখ মৃত্যুর সংখ্যার কতটা ভয়াবহতা লুকিয়ে আছে, তা একটি তুলনা দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছে সিএনএন।

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ৫৪৪ জন যাত্রী বহন করতে পারে এয়ারবাস এ৩৮০ উড়োজাহাজ। যদি প্রতিদিন যাত্রীবোঝাই দশটি করে এয়ারবাস এ৩৮০ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়, আর এই ধারা যদি একবছর ধরে চলে, তবে মোট মৃত্যুর সংখ্যা করোনাভাইরাসের মহামারীতে মৃত্যুর সংখ্যার কাছাকাছি হবে।